• Sorry! We couldn't find your Product.

ফাঁসিকাষ্ঠে জীবনানন্দচিরকুমার দুঃখগুলোস্মৃতি ও শ্রুতিতে মানিকগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধচোখের আড়াল হলে জুড়ে বসো মনেবাংলা বানান: ভুল-শুদ্ধচিনে এলাম চীনপাঁজরে পুঞ্জীভূত বেদনারূপান্তরের কাব্যমায়াপাখিদের পাঠশালাফাঁসিকাষ্ঠে জীবনানন্দ

0
earphonemobile chargersmartphoneiphone 15 pro maxearphone

ত্রিনা এক স্বপ্নচারী ইরা, সে প্রকৃতির মাঝে মুক্তভাবে বিচরণ করতে ভালোবাসে। তার পাহাড়, ঝরণা, সমুদ্র ভালো লাগে, তাই তুরিণ পাহাড়ে বসে দূর সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকে। তারপরও তার মন উদাস হয়ে ওঠে, ইরণের শৃঙ্খলিত জীবন তার ভালো লাগে না। রোবট নিয়ন্ত্রিত সেন্ট্রাল কম্পিউটার এবং বায়োনেট প্রতিটা ইব, ইরা’র জীবন ন্যানো চিপসে বন্দী করে রেখেছে। তারা চায় ইরণবাসী তাদের মতো, স্বপ্নহীন, কল্পনাহীন, নিরাসক্ত জীবন যাপন করুক। এক সময় ত্রিনা জেনে যায়, সে কোনো ইব বা ইরা নয়, সে একজন মানুষ। রোবটরা তাদের পূর্ব পরিচয় মুছে তাদেরকে এক রোবটিক জীবন দিয়েছে। তাই সে এ রোবটিক জীবন থেকে বেরিয় আসতে চেষ্টা করে। ঘটনা পরিক্রমায় তার সাথে পরিচয় ঘটে নাবিলের, সেও আর এক মুক্ত-স্বাধীন জগতের মানুষ, সারাক্ষণ সমুদ্র নিয়েই থাকে, ঘর তাকে আটকে রাখতে পারে না। শেষ পর্যন্ত এ দু’জন ইব, ইরার রবোটিক জীবন থেকে বের হয়ে আসার প্রচেষ্টা কী সফল হয়েছিল? তারা কি পেরেছিল, ইরণবাসীর প্রকৃত পরিচয় ফিরিয়ে দিতে! এসব জটিল ঘটনার সমীকরণ মেলাতে, একটা অভিনব জীবন প্রবাহ নিয়ে রচিত বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ‘ত্রিনা’।