• Sorry! We couldn't find your Product.

Veil of Woeচোখের আড়াল হলে জুড়ে বসো মনেপাঁজরে পুঞ্জীভূত বেদনাফাঁসিকাষ্ঠে জীবনানন্দঅপরিচিতা মায়াবিনীরূপান্তরের কাব্যস্মরণে-বরণে মানিকগঞ্জের শহিদ বুদ্ধিজীবিমায়াপাখিদের পাঠশালাচিনে এলাম চীনVeil of Woe

0
earphonemobile chargersmartphoneiphone 15 pro maxearphone

“নাভিদ উঠে দাঁড়ানোর পরে এভিসের শরীরে থাকা অন্তর্বাস খুলে সমুদ্রে ফেলে দিল এভিস। চাঁদের আলোয় চকচক করছে এভিসের ভেজা কমনীয় পেলব, মাখনের মতো শরীর! মানবী মনে হচ্ছে না আর এভিসকে। জলপরি না না সমুদ্রের দেবী মনে হচ্ছে। লক্ষ কোটি বছর ধরে যেন সমুদ্র শাসন করে আসছে এই দেবী। মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে দেখছে নাভিদ। সব মিলিয়ে অবশ্যই একটা স্বপ্নের মধ্যে আছে ভাবল নাভিদ। নাভিদের স্বপ্নের ঘোর ভেঙে দিতেই যেন হঠাৎ করেই এভিস হাঁটু গেড়ে বসল নাভিদের সামনে। ডান হাত সামনের দিকে বাড়িয়ে বলল, এই পৃথিবীতে আমার আপন কেউ নেই, যাকে সাক্ষী করে আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে পারি। আমার কোনো শিকড় নেই এখানে, এমনকি আমার শরীরে এই মুহূর্তে একটা সুতোও নেই। একেবারে সত্যিকারের নিঃস্ব একজন মানুষ আমি! তবে আমার সাথে আছে এখনকার এই পরিবেশ। বিশাল আকাশ, আকাশে চাঁদের আলো, নীল সমুদ্র আর আছে নীল তিমি। এদের সবাইকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। এতটাই ভালোবাসি যে তোমার জন্য আমি নিজের ভুবন ছেড়ে তোমার ভুবনে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তুমি কি আমাকে তোমার সারাজীবনের সঙ্গী করে এই ভালোবাসাকে স্বীকৃতি দিবে? পৃথিবীতে একটি মেয়ের যা যা অধিকার আছে আমাকেও সেইসব অধিকার দেবে তুমি? আমি এই পৃথিবীর এবং তোমার অংশ হয়ে থাকতে চাই নাভিদ। তুমি রাখবে তো আমাকে?”